اِسْتَجِیْبُوْا
لِرَبِّكُمْ
مِّنْ
قَبْلِ
اَنْ
یَّاْتِیَ
یَوْمٌ
لَّا
مَرَدَّ
لَهٗ
مِنَ
اللّٰهِ ؕ
مَا
لَكُمْ
مِّنْ
مَّلْجَاٍ
یَّوْمَىِٕذٍ
وَّمَا
لَكُمْ
مِّنْ
نَّكِیْرٍ
۟
3

আল্লাহর নির্ধারিত সেই দিন আসার পূর্বে তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের আহবানে সাড়া দাও, যা রদ্দ হবার নয়।[১] সেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং লুকিয়ে নিখোঁজ হওয়ার স্থানও না। [২]

[১] অর্থাৎ, যাকে রোধ করার এবং রদ্দ করার শক্তি কারো নেই।[২] অর্থাৎ, তোমাদের জন্য কোন এমন স্থান হবে না, যেখানে তোমরা লুকিয়ে নিখোঁজ ও পরিচয়হীন হয়ে যাবে অথবা দৃষ্টিগোচর হবে না। যেমন অন্যত্র বলেন, {يَقُوْلُ الْإِنْسَانُ يَوْمَئِذٍ اَيْنَ الْمَفَرُّ، كَلاَّ لاَ وَزَرَ، إِلَى رَبِّكَ يَوْمَئِذٍ الْمُسْتَقَرّ}ُ অর্থাৎ, সেদিন মানুষ বলবে, পলায়নের জায়গা কোথায়? না, কোন আশ্রয়স্থল নেই। তোমার পালনকর্তার কাছেই সেদিন ঠাঁই হবে। (সূরা ক্বিয়ামাহ ৭৫:১০-১২) অথবা نَكِير অর্থ, ইনকার (অস্বীকার) করা। অর্থাৎ, তোমরা নিজেদের পাপসমূহকে অস্বীকার করতে পারবে না। কারণ, প্রথমতঃ সবকিছুই লিখিত থাকবে। দ্বিতীয়তঃ স্বয়ং মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও সাক্ষ্য দেবে। কিংবা যে আযাব তোমাদেরকে তোমাদের পাপের কারণে দেওয়া হবে, তোমরা সেই আযাবকে অস্বীকার করতে পারবে না। কেননা, পাপ স্বীকার করা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।